বনের সবুজ দৃশ্য বদলে যাচ্ছে
ক্ষত ও ক্ষুধা বৃক্ষের শরীরে
বসন্তের গান হয়ে ওঠছে
ফুলেরা সখীর স্বভাবে চিরকালীন
ভাব - ভাবালুতায় থেকে যাচ্ছে
যার কোন বিকল্প নাই
কতদূরে গেছে বনের শালবৃক্ষ?
ঘুমের ভেতর ইরাবাসিনী হাসে
বানরেরা বিলুপ্ত হওয়ার নয়
কারা তবে ভেবেছে
চাঁদের ক্লোরিনে পৌরণিকের ঐশ্বর্য
ফেংহুয়াং পাখিরা পৃথিবীতে নিয়ে এসেছিল
আহা! সবুজ টিয়া পাখি
তুমি সুবিদায় নিও
নিও কালসন্ধ্যার স্বীয় অবয়ব
যে সন্ধ্যা আকাশ বিদীর্ণ করে পাঠ করে নিতে পারে
এক অশুভ সন্ধিক্ষণের।
মা, ওখানেই আছে
কেবল আমি নেই!
ছাব্বিশ কিলোমিটার দূরত্বে আমি আমার
বুক পেতে দিয়েছি
অথচ আমি যা ধরেছি, তা আমার
অনুভবের কাছাকাছি
চার দেয়ালের পৃথিবীতে একটি টিকটিকি
একবার পোকদের নির্বাক থেকে জেনেছিলাম-
টিকটিকিরা কেন দলগত নয়।
আমি কী প্রফুল্ল অথবা স্থির?
যতটা সহজে উচ্চারণ করে ফেলছি
সরল কবিতাগুলি
এই ডুবাডুবির আকাঙ্খা নিয়ে
আমি কেন কবিতা শোনাতে পারি না
পাগল বাতাসে, মুখ ঠেকিয়ে দিয়ে
মুগ্ধতায় চারিপাশে
এত এত মুগ্ধতা আজ
ফুলেও হতে পারে বিমোহ বিরাগ
হতে পারে জলমগ্ন সাঁতার।
কতদিন হয় যায় নাই লহরিয়ায়
যেখানে আছে লহরিয়া হরিণ প্রজনন কেন্দ্র
হরিণ সুন্দর অনন্ত স্বপ্নে
ঘাসের চোখে হরিণ হৈমন্তিক পুরুষ
সূর্য তার পবিত্রতা
দ্যাখো, সূূর্য সপ্রভ
ছেদ রেখা পড়ে আছে টিলাভূমিতে
অনুঢ়া- এ সুরে
হৃদয় সদৃশ্য ছড়ানো যেন বুনোপথে।
আমাকে উন্মুক্ত করো
হে অসংখ্য আলোর ফুল
যখন পাখিরা হারিয়ে গেছে
বিরহজনিত দূর অন্বারে
দূরে ঈশানে নৈঋতে
রক্তের পলি জমে আছে
ঈশানের হাওয়া বদল হচ্ছে নৈঋতে
মানুষের ঘুমে পাখিদের সমাবেশ
মানুষের ঘুমে নূহের প্লবান।
মহীরুহ-
দেবদারু গাছের বিম্বিত এ ছায়ায়
যাকে আমি গণ্য করেছি
দেবতাদের বাসস্থান হিসেবে
লাল অন্ধকার তুমি কোন আল্পনায় লেখা
অযথাই নেমেছো
ছুরিসংহিতার দিনে
এই তৃষ্ণান্ধ চোখে
মায়ের প্রতিকৃতি এঁকে দেখেছি
মা তো আমার প্রথম সন্ধ্যা
যে সন্ধ্যাটা ধাঁধিয়ে গেছে
আমার আত্মার ভাটায়
বহুবর্ণিল এক সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি
স্তব্দতার মতো অবসানে
আমাকে ছুঁবে না
ফুলের বন্ধন
ইন্দ্রনীল ধ্বংসস্তূপে।




1 মন্তব্যসমূহ
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
উত্তরমুছুন(তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)
অর্থ: আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
ঈদ মোবারক🌙
অমার্জিত মন্তব্য করে কোনো মন্তব্যকারী আইনী জটিলতায় পড়লে তার দায় সম্পাদকের না৷