বিরাম চিহ্ন
তৃষার্ত পাখি উড়িয়ে নিয়ে যাও ফ্যালফ্যালে দুপুর!
আরোগ্য সনদে যেহেতু নেই বিরাম চিহ্ন। বিবিধ সংঘাত হতে ক্রমশ দুরে একা বিমর্ষ হরিণ বাজাক বোধের মুদ্রা, রোদের ঢোলে।
হ্যালো - মক্কেল পাখি, আমার সকল সংঘাত উড়ে নিয়ে যাও! এই রাস্তায় হাটা বারণ।
গণিত না সাজিয়ে প্রেমের চুম্বন রেখে ফুটপাত হাঁটছে পায়ে।
পথ
ক্লান্ত ট্রেনের চোখে নেমে আসে শব্দের পতন। স্লিপারের পাথরে লেপ্টে থাকা ভ্যাপসা পারফিউম। দুই লাইনের সমান্তরাল চাহনিতে যেন এক অন্তহীন আহারের আকুলতা।
ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকা শিশুটির পেটে আঁকা ক্ষুধার এক অদ্ভুত নন্দন। শিশু মানেই এক আঁকাবাঁকা, স্যাঁতসেঁতে পথ। ধোঁয়াটে কাপড়ের বুননে লেগে থাকা বিবর্ণ রঙছটা। যে রঙ আঁকড়ে ধরেছিল ন্যাপথলিন গায়ে, তা শুষে নিয়েছে শূন্য ভাতের থালা।
ভাবনারা শব্দ হয়ে হেঁটে চলে মগজের ভেতর। পাঁজর দিয়ে লিখতে গিয়েও হাড়েরা ভেঙে পড়ে অবহেলায়; গল্পটা আর লেখা হলো না। একা জানালায়- পাল্টে যাচ্ছে ধুলো। একে একে সব স্টেশন পেরিয়ে যাচ্ছি, যেখানে তুমি দাঁড়িয়ে আছ। এই তো, ফুল স্টপ! মাত্রই পার হলাম; আমি ফিরছি আমারই পথে।




0 মন্তব্যসমূহ
অমার্জিত মন্তব্য করে কোনো মন্তব্যকারী আইনী জটিলতায় পড়লে তার দায় সম্পাদকের না৷