New

শ্বেতপত্র

নববর্ষের ক্যাকটাস ----- আহম্মেদুল কবির

ভালো কিছু হোক- ভালো থাকি এই প্রত্যাশায় নতুনকে কত কিছু দিয়েই তো ররণ করা হলো বারবার। শুন্যতা বুকে নিয়ে শুধু হানাহানি, হিংসা বিদ্বেষ আর কাটাকাটি। শুভেচ্ছা, স্বাগতম, অভিনন্দন- দুরহ! এভাবে আর ভালো লাগে না। আসছে নতুন বছর কবিতা দিয়েই শুরু করি কেমন---!



কৃষ্ণগব্বরে নব সূর্যের আগমন 

ক্যাকটাসের পাতা ও কাঁটায়

নির্ঘুম রাতে অবশিষ্টাংশ খুঁজি

শুধুই হতাশা!

যেটুকু প্রাপ্য সেটিও অতীতযোগ

বিস্তীর্ণ মাঠের মূলাগুলোর মতোন।

গন্ধমফল ঝুলে আছে হুরপরীর দেশে

আমাদের লোলুপ দৃষ্টি বছরের পর বছর

ক্যালেন্ডার উল্টিয়ে দেখে 

কী পেলাম—কী হারালাম

বিগব্যাং বিন্দুতে।


এসো ফিরি আবার উল্টোপথে

আর আগাব না, ফিরে যাই

পৈত্রিক ভিটায়, যে ভিটায় বৈশ্বিক হাওয়ায় দুলেছিলো মন, ছিলো প্রেম, ছিলো ভালোবাসা—কী দারুণ মানবিক!

চোখের সামনে ধ্বংসের দূত দেখে

চমকিত হই! চারিদিকে চিৎকার শুনি পারমাণবিক আর পারমাণবিক।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

12 মন্তব্যসমূহ


  1. এইটা মাশাল্লা একটা জব্বর লেখা হইছে কবির। তোমার কবিগিরি নতুন বছরে চোদনাপাকামি পাক এই পাক জমিনে এই দোয়া করি। তোমার ভাল হইবে। পরিশেষে বলিতেছি যে, কবিতার শুরুতে গব্বরসিংএর নাম নিছো, আমি খুশি হইছি। গব্বরসিং আমার প্রিয় নায়ক। তাকে লাল সালাম। তোমাকেও বিগব্যাঙ জানাই। ধন্যবাদ

    উত্তরমুছুন
  2. উল্টোপথে বিগব্যাং ভাল জিনিস। তুমার প্যাকটিস আছে, এটা আমি বুঝছি। লুকায়া রাকতে পার নাই।

    উত্তরমুছুন
  3. মারহাবা। দিল জিত লিয়া ভাইও। আগে বাড়ো কবির ভাই।

    উত্তরমুছুন
  4. এইটা দেখার পর আমি মুগ্ধ,
    শিহরিত,
    আহত,
    ব্যাহত,
    গর্বিত,
    অনুপ্রাণিত,
    ব্যথিত,
    মর্মাহত,
    শোকাহত,
    বিমোহিত,
    আনন্দিত,
    রাগান্বিত,
    আতঙ্কিত,
    রোমাঞ্চিত,
    ক্রন্দনরত,
    বেদনাদৃত,
    চিন্তিত,
    বিভোরিত,
    মোহিত,
    কম্পিত,
    সুরক্ষিত,
    কলঙ্কিত,
    হাস্যরত,
    ক্রন্দিত,
    স্তম্ভিত,
    অভিভূত,
    উন্মাদিত,
    উত্তেজিত,
    অবাক,
    অবসন্ন,
    ভীত,
    বিস্মিত,
    অসহায়,
    উদ্বিগ্ন,
    উদাস,
    আলোরণিত,
    ভেঙে-পড়া,
    ভরাক্রান্ত,
    হতবাক,
    বিব্রত,
    উদীপ্ত,
    বিস্ময়াভিভূত,
    আরও কতিপয় কিছু লেখার ছিলো কিন্তু,
    আমার আঙুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আমি দুঃখিত।
    সর্বোপরি নিহত।😃😆😆

    উত্তরমুছুন
  5. ঘনিষ্ঠ জন ঘনিষ্ঠ জনের ঘনিষ্ঠ কথা ঘনিষ্ঠ ব্যাক্তির মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ ভাবে প্রকাশ করেছেন।

    উত্তরমুছুন
  6. ভাইজান আপনার শাউয়াতে একটু ক্যাকটাস ঘষিয়া দিতা চায়।

    উত্তরমুছুন
  7. আজকে রোজার মাসে
    তোমার আসেপাশে
    একটা গল্প বলি
    নিজের মতো চলি।

    একটা ঘটনা ঘটেছিল উগান্ডাতে। এক টাকা পাচারকারী, ব্যাংক লুটেরা ব্যবসায়ী সরকারের এক কর্মকর্তার কাছে গিয়ে বলল, 'আমার সব মামলা প্রত্যাহার করে দিতে হবে, সব টাকা মাফ করিয়ে দিতে হবে, আপনি কী নিবেন?'
    সেই কর্মকর্তা বললেন, 'আমরা শর্ত একটাই। আপনি সেই টাকার কিছু অংশ দিয়ে একটা পত্রিকা প্রকাশ করবেন।
    ব্যবসায়ী অবাক হয়ে বলল, 'আমি পত্রিকা প্রকাশ করলে তারপর কী হবে?'
    সেই কর্মকর্তা একগাল হেসে বললেন, 'অবসরের পর আমি সেই পত্রিকায় গিয়ে চাকুরি করব।'
    ব্যবসায়ী কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে বললেন, 'ঠিক আছে যান, ওয়াদা দিলাম।'

    উত্তরমুছুন
  8. কিরে কাইল্লা কবি, বাড়ি কুতায়?

    উত্তরমুছুন
  9. উর্দু ভাষার নিজস্ব কোন হরফ নেই। আরবী হরফ দিয়ে এটি লিখতে হয়। তাই উর্দু হচ্ছে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের প্রতিচ্ছবি। মুসলমানদের যেমন নিজের বলে কিছু নেই, উর্দু ভাষারও নিজের বলে কিছু নেই।

    মুঘল সৈন্য শিবিরে এর জন্ম। মূলত মুঘল সৈন্যরা স্থানীয় বাজারে সদাই করতে হিন্দি ফারসী আরবীর খিচুরি পাঁকিয়ে কেনাকাটায় ব্যবহার করত যে ভাষা- সেটাই উর্দু ভাষা। বিদেশী শাসকদের সঙ্গে স্থানীয়দের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবেও দ্রুত উর্দু জনপ্রিয় হতে থাকে। এটি যখন সম্রাট শাহজাহানের সময় দরবারী ভাষা হিসেবে স্বীকৃত হয় তখন উর্দুর মর্যাদা বেড়ে যায়। উর্দু শুরু থেকে সচেতনভাবে ‘মুসলমানদের ভাষা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। এর হরফ আরবী। এরমধ্যে আরবী ফারসী ভাষায় মুসলমানিত্ব পরিচয় বজায় রাখা হয়েছে। মহান কিছু কবি সাহিত্যিক উর্দু ভাষায় সাহিত্য চর্চা করলে উর্দু ভাষা হিসেবে জাতে উঠে যায়। কিন্তু শুরু থেকে আজ পর্যন্ত উর্দুকে ভারতীয় মুসলমানদের জাতীয় ভাষা মনে করা হয়।

    ভারতবর্ষের মুসলমানদের অভিভাবকরা মনে করতেন উর্দু ছাড়া ভারতীয় মুসলমানদের অস্তিত্ব বিলিন হয়ে যাবে। তারা সবাই নিজেদের বৈশিষ্ঠ হারিয়ে হিন্দু হয়ে যাবে। ভারতীয় ‘আর্য ভাষা’ মুসলমানদের আলাদা জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে দিবে না। মুসলমানরা আরব তুর্কি ইরানীদের বংশধর। তারা কেন ভারতবর্ষের ভাষায় কথা বলবে?...

    আজগুবি কিছু বলছি মনে হতে পারে কি? একদম ইতিহাসের নির্জলা সত্য এগুলো। উনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ভাগে বিতর্ক উঠতে শুরু করে বাংলা দেশের মুসলমানদের “মাতৃভাষা” কোনটি হওয়া উচিত? শুনতে হাস্যকর হলেও তর্ক বিতর্ক করে নিজেদের “মাতৃভাষা” ঠিক করার জন্য দুটি পক্ষ তখন দাঁড়িয়ে যায়। একদল নবাব জমিদার শ্রেণী- তারা সরাসরি মত প্রকাশ করেন ‘আশরাফ মুসলমান’ অর্থ্যাত সম্ভ্রান্ত মুসলমানদের জন্য উর্দু হবে তাদের মাতৃভাষা। আর ‘আতরাফ মুসলমান’ মানে নিন্মজাতের মুসলমানদের জন্য বাংলা হবে মাতৃভাষা... তবে এখানেও কথা আছে শর্ত আছে। সেই বাংলা হতে হবে সংস্কৃত দুহিতা বাংলা থেকে পৃথক, প্রচুর আরবী ফারসী উর্দু শব্দের মিশেলে এক ‘মুসলমান-বাংলা’।



    -সুষুপ্ত পাঠক
    ৪/৯/২০২৩

    উত্তরমুছুন
  10. হাদি

    তোমার জন্য কাঁদি
    জোয়ান বুড়া মাদি
    শিকল পরা বাঁদি
    করবে এবার শাদি
    ভাত খাবে না দাদি
    হাদি
    শাউয়া ছিঁড়া হাদি
    লেপের ভেতর পাদি

    উত্তরমুছুন
  11. তাকাব্বাল আল্লাহু মিন্না ওয়ামিনকুম।
    সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।।
    🌙 ঈদ মোবারক 🌙

    উত্তরমুছুন

অমার্জিত মন্তব্য করে কোনো মন্তব্যকারী আইনী জটিলতায় পড়লে তার দায় সম্পাদকের না৷