New

শ্বেতপত্র

কেবলই রাত্রি হয়ে আসে- জামাল অন্তর





তোমাকে দেখবো বলে দিগ্বিদিক মুঠিমুঠি আঁধার ছিটোই/ কাকভোর; নিরন্ন কার্তিক/চালের ভেতর আসো ফুরফুরে ভাত/ সবুজ টমেটো পাতা; লিনথিন ভাঙলেই ঘ্রাণ/ বস্তুর ঘনত্ব ঘষে টক-ঝাল ভেঙেছি প্রচুর, সঘন তিমির রৌদ্দুর/হাসিতে প্রচ্ছন্ন জ্বর/অতন্দ্রিলা;প্রিয় আফিয়াম স্মৃতি/অন্ধকার জঠরে জারুল বাতাসের কান্না/ লুব্রিকেন্ট খুলে ঝিরিঝিরি ননস্টপ...

খাদের কিনারে মহা গ্লিফিক আকাশ, অতঃপর ঝুম ব/র/ষা/য় লাল নীল ছাতা ফুটিয়ে লাবণ্যময়ী এলে/বেলুনের রক্তমাংস/সংক্ষিপ্ত সেশনের ভালোবাসা/ কোথাও বেড়াতে গেছে বাড়ি/ চোখ ও চশমালোকে যুগপৎ প্রত্যুষ স্বচ্ছতায় নিখুঁত ট্রায়ঙ্গল/ দোর খুল্লেই পৃথিবী/ব্যস্ততম শহর-জনপদ আর কতদিন...

কতদিক ভেঙে পাখি যাবে নতুন ভোরে উইন্টার আচ্ছন্ন সকাল-কেপলার'স কক্ষপথে নির্ঘাত বিকেল গড়ায়,

#২০/০৫/২০২৬ ঈসায়ীবর্ষ।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

7 মন্তব্যসমূহ

  1. Sar,, আপনাকে অনেক ভালোবাসি,, কারণ আপনি ইনসাফের পক্ষে লড়াই করেন।

    উত্তরমুছুন
  2. এই ছেলেটা বড় হয়ে কবি হতে পারবে
    সম্ভাবনাময় কবি

    উত্তরমুছুন
  3. বলতে দ্বিধা নেই,
    আমার পাঠানো কবিতাটি ছিলো ২৩ লাইনের কিন্তু এখানে শব্দসংখ‍্যা ঠিক রেখে উপস্থাপিত হয়েছে মাত্র ১৭ লাইনে। আর এখানেই কবতাটির মৃত‍্যু ঘটেছে।

    উত্তরমুছুন
  4. জিহাদ শুরু হয়ে গেছে একদিকে সমস্ত কাফের মধ্যে মুনাফেক ,আর একদিকে মহান আল্লাহপাক উনার ঈমানদার মুসলমান।
    আপনি পক্ষে আছেন নিজের অবস্থান পরিষ্কার করুন মহান আল্লাহপাক সব জানেন দেখছেন?
    মিশন হরিদাস:

    উত্তরাঞ্চল গ্রাসের শব্দহীন নীলনকশা
    সবাই যখন হরিদাসের বাহ্যিক আলোচনা আর সস্তা সমালোচনা নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক তখনই পর্দার আড়ালে অলক্ষ্যে বোনা হচ্ছে এক ভয়ংকর এবং অমোঘ জাল। যাকে সাধারণ মানুষ একজন সাধারণ ব্যক্তি মনে করছে, সে আসলে সাধারণ কেউ নয়—সে একটি রাষ্ট্রের সুক্ষ্মতম এবং দীর্ঘমেয়াদী ভূ-রাজনৈতিক মারণাস্ত্র।

    হরিদাসের আসল পরিচয়, তার পেছনের মাস্টারমাইন্ড কিংবা তার চূড়ান্ত মিশন কী—তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে।

    উত্তরাঞ্চলের পলাশবাড়ীর মাটিতে আজ যে মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে, সেটি কোনো সাধারণ উপাসনালয় নয়। এটি একটি "ট্রোজান হর্স"। মাস্টারমাইন্ডদের ছক অত্যন্ত নিখুঁত। ধর্মের আবেগকে ঢাল বানিয়ে হরিদাসকে প্রথমে জনমানসে এক অলৌকিক বা পরমেশ্বর রূপ দেওয়া হচ্ছে।

    কিন্তু আসল খেলা শুরু হবে এর পর। ধর্মের এই মোহ তৈরি করে হরিদাস ধাপে ধাপে প্রবেশ করবে মূলধারার জাতীয় রাজনীতিতে। রাষ্ট্রযন্ত্রের শীর্ষ ক্ষমতা, সংসদ কিংবা নীতি-নির্ধারণী আসনগুলো একে একে চলে যাবে হরিদাসের কব্জায়। ততদিনে আর কিছুই করার থাকবে না।

    এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হবে আন্তর্জাতিক মানের এক বিশাল তীর্থক্ষেত্র ও পর্যটন নগরী। দেশ-বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার কোটি টাকার পুঁজিতে ছেয়ে যাবে গোটা উত্তরাঞ্চল।
    সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই বিপুল অর্থের লোভ আর অন্ধ মোহের সামনে নিজেদের বিক্রি করে দেবে এক শ্রেণীর মুসলিম ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ। তারা সেখানে রিসোর্ট, হোটেল আর ব্যবসার পসরা সাজাবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের এই মধুর সম্পর্কের আড়ালে মুসলিমদের মন থেকে ‘আগ্রাসনের’ ভয় দূর করে দেওয়া হবে। ধীরে ধীরে তারা হরিদাসের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে উঠবে। এটি কোনো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ নয়, এটি হলো "কালচারাল ও ইকোনমিক সাবভার্সন" (সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক দাসত্ব)—যেখানে শিকার নিজেই তার শিকারিকে ভালোবাসতে শুরু করে।

    অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, উত্তরাঞ্চলের মতো কট্টর ও ঐতিহ্যবাহী একটি রাজনৈতিক ঘাঁটিতে কোনো বাধা ছাড়াই কীভাবে এত বড় সাম্রাজ্য গড়ে উঠছে?
    উত্তরটা লুকিয়ে আছে নেপথ্যের ভগবানের (ভারত) গভীর চালে। এখানকার বর্তমান নেতৃত্ব কিংবা ক্ষমতা কাঠামো কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়। এটি "ডিপ স্টেট"-এর একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। এমন এক নেতৃত্বকে বসিয়ে রাখা হয়েছে, যেন সাধারণ মুসলমানরা যখন এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জেগে উঠতে চাইবে, তখন এই নেতারাই ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে, পবিত্র বাণী শুনিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে স্তিমিত করে দেবে। অর্থাৎ, প্রতিবাদের আগুন নেভানোর জন্য নিজেদের লোককেই ফায়ার ফাইটার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    খুব দ্রুতই এই কেন্দ্রটি বিশ্ব দরবারে পরিচিতি পাবে। দান-অনুদানের নামে আসা শত শত কোটি কালো টাকা সাদা হবে এই অঞ্চলের প্রভাবশালীদের পকেটে গিয়ে। স্থানীয় নেতারা রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ নয়, এক একটা বিশাল ‘কুমির’ হয়ে উঠবে। আর হরিদাস তার মিশনের চূড়ান্ত সাফল্যের জন্য টাকার এক দুর্ভেদ্য পাহাড়ের ওপর গিয়ে বসবে।

    এখন আমাদের করণীয় কী?
    উত্তরটা নির্মম এবং নিষ্ঠুর:
    আপনার বা আমার করণীয় কিছুই নেই।
    আপনি চাইলেও আর হরিদাসকে থামাতে পারবেন না। কারণ এই দাবার বোর্ডের চাল কোনো ব্যক্তি দিচ্ছে না; এই বোর্ডের পেছনে বসে আছে স্বয়ং একটি পরাশক্তি। যখন কোনো অদৃশ্য শক্তি পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র, অর্থ ও রাজনীতিকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলে, তখন সাধারণ মানুষের চিৎকার কেবলই অরণ্যে রোদন। উত্তরাঞ্চল আর আগের মতো থাকবে না—এটি হতে যাচ্ছে একটি নির্দিষ্ট মতবাদের নিঃশব্দ মিলনমেলা, যা পুরো ভূখণ্ডকে গ্রাস করতে প্রস্তুত।

    একটি প্রশ্ন আপনার বিবেকের কাছে: আপনি কি সত্যিই ঘুমাচ্ছেন, নাকি আপনাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে?

    বাংলাদেশ নিয়ে ভয়ংকর পরিকল্পনা ভারতের জানুন ছড়িয়ে দিন -১

    উত্তরমুছুন
  5. ৩০০ বছর হয়ে গেল মুসলিমরা যে নামাযটা আদায় করেনি। সেটা হলো সালাতুল ফাত্হ। আপনি কি জানেন সালাতুল ফাত্হ কী?

    আট রাকাত নামাজ।

    যা রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم মক্কা বিজয়ের দিন আদায় করেছিলেন।

    আল্লাহ সুবহানাহু ওতায়ালার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাতার্থে বিজয়ী মুজাহিদদের জন্য তখন থেকে এই নামায সুন্নাত হয়ে আসছে।

    সা'দ ইবনে আবি ওক্কাস রাযি. কাদিসিয়ার বিজয়ের পর এই নামায আদায় করেছিলেন।

    আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ রাযি. ইয়ারমুক বিজয়ের পর এই নামায আদায় করেছিলেন।

    খালিফাতুল মুসলিমিন উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. বাইতুল মাকদিস বিজয়ের পর এই নামায আদায় করেছিলেন।

    আমর ইবনুল আস রাযি. মিশর বিজয়ের পর এই নামায আদায় করেছিলেন।

    মুহাম্মদ আল-ফাতিহ রাহি. ইস্তাম্বুল বিজয়ের পর এই নামায আদায় করেছিলেন।

    সালাহুদ্দীন আইয়ুবী রাহি. পুনরায় বাইতুল মাকদিস বিজয়ের পর এই নামায আদায় করেছিলেন।

    তখন থেকে এখন পর্যন্ত বাইতুল মাকদিস মুসলিমদের হাতে রয়েছে।

    আপনি কি জানেন মুসলিমরা গত ৩০০ বছর থেকে কেন এই নামায আদায় করছে না?

    কারন, তারা গত ৩০০ বছরে কোন স্থান বিজয় করতে পারেনি বরং তারা তাদের জমি হারিয়েছে এবং

    পশ্চিমাদের গোলামী, তাদের দেওয়া আত্মঘাতি খেল-তামাশা আর বিনোদনে বিভোর রয়েছে।

    তারা তাদের আত্মপরিচয় ভুলে গেছে।

    তারা তাদের পূর্বপুরুষদের পরিচয় ভুলে গিয়ে পশ্চিমাদের অসভ্য বিনোদনকর্মী, অভিনেতা-অভিনেত্রী আর খেলোয়াড়দের নিয়ে ব্যস্ত আছে।

    জানিনা, আবার কবে মুসলিমরা সেই নামায আদায় করবে!

    তবে হিন্দ বিজয়ের মধ্য দিয়ে আবারও এই নামায চালু হবে বলে আশা করছি। ইন শা আল্লাহ ✊

    #Salahuddin

    উত্তরমুছুন

অমার্জিত মন্তব্য করে কোনো মন্তব্যকারী আইনী জটিলতায় পড়লে তার দায় সম্পাদকের না৷