New

শ্বেতপত্র

আহম্মেদুল কবিরএর দুইটি কবিতা



সময়


প্রতিদিন কি অদ্ভুত আলোকচিত্র নিয়ে ডুব দেয় ভানু

পূর্ব থেকে পশ্চিম উত্তর থেকে দক্ষিণ

 টিকটিক শব্দে কেউ ঘুমিয়ে যায় কেউ ঘুম থেকে ওঠে।

আলোকচিত্রে ছবি আঁকা হয় ঘুণে ধরা                       কোন সমাজ

                  কোন রাষ্ট্র

                           কোন ব্যর্থ মানুষের।



অরণ্যে রাজা মৃতদেহের ভেতর


সেখানে অনেক রক্ত, পাতার ভাঁজে ভাঁজে রক্তের দাগ। বুলেট বিদ্ধ গাছের কান্না। এ অরণ্যে কে মারে- কে মরে কোন হিসেব নেই। সারিসারি লাশের পাহাড়। সেখানে কোন আইন নেই- নেই কোন নিয়ম। থাকবার কথা নয়। সেখানে সবাই রাজা প্রজারা নিখোঁজ। 


অসংখ্য জীবন্ত লাশ। হেঁটে যাচ্ছিল পৃথিবীর পথে। গন্তব্যে পৌঁছে হতবাক! জানা হলো এ পৃথিবী তাদের নয় সেখানে শুধু কথার পাহাড়, প্রতিশ্রুতি যাকিছু সবটাই মিথ্যা। মানুষগুলো সব জোকার। পশ্চাৎ পথ ফিরে দেখা অনেক প্রজা। অরণ্যে রাজাদের বসবাস মৃতদেহের ভেতর।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

96 মন্তব্যসমূহ

  1. تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
    (তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)

    অর্থ: আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।

    ঈদ মোবারক🌙

    উত্তরমুছুন
  2. উত্তরগুলি
    1. তোর মতো মাদরচোদরা সাহিত্য পড়তে আসিস কেনো। তোদের মতো আবালদের জন্য পৃথিবী থেকে ভালো কিছু উধাও হচ্ছে।

      মুছুন
    2. Nam koi tor kankir pola
      Tui ki vlo krlu ?
      Aisob bal leka vlo ?????

      মুছুন
  3. গিয়াসউদ্দিন মৃধাশুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬

    কে তুমি কবি? এমন হৃদয়জাগা কবিতা লিখে এই বিকেলটাকে ভরিয়ে দিলে। তোমাকে চুমচুমচুমচুমচুমাচুমচুম দিয়ে ভরিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে। ঘাড়ের পাশে চুমচুমাচুমচুম দিব কিন্তু।

    উত্তরমুছুন
  4. সুন্দর কবিতা। ইদ মোবারক ভাইজান। ভালা আছেন্নি?

    উত্তরমুছুন
  5. মাশাল্লা। ১এর কবিতা হইছে ভাই। ফাটাফাটি।

    উত্তরমুছুন
  6. تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
    (তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম)

    অর্থ: আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।

    ঈদ মোবারক🌙🍻

    উত্তরমুছুন
  7. বা! উন্নতমানের কবিতা পড়ার স্বাদ বহুদিন পর পূরণ হল। জনাব কবি আপনার আগামী দিনের সমৃদ্ধির দোয়া করি। ইদ মোবারক

    উত্তরমুছুন
  8. ইদের দিনে কবিতাখানি প্রকাশ করিয়া ভালো কাজ করিছো ভাই। পাঠ করিয়া মনে হইল ইহা একটি হালাল কবিতা। ইসলামের খেদমতে আপনার কবিতা কবুল হউক। আমিন ইদ মোবারক

    উত্তরমুছুন
  9. ভাই কে কি বলে বলুক, আমি নির্ভয়ে আপনার কবিতার উচ্চ প্রশংসা করব। এগিয়ে যান প্রিয় কবি।

    উত্তরমুছুন
  10. ভোরের ফুল ফুটছে এই আর্কটিক তীরে। গাইছে মহাকালের ঐকতান। সুদুর ডেনমার্ক থেকে আপনার কবিতা পড়ছি ভাই। ছেলেখেলা মনে করবেননা।

    উত্তরমুছুন
  11. ইদ মোবারক, কবি! শুভেচ্ছা।

    উত্তরমুছুন
  12. ভাই আসসালামু আলাইকুম। ঈদ মোবারক।

    উত্তরমুছুন
  13. ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক কবি।

    উত্তরমুছুন
  14. তুই এখনও কবিতা লেখা ছাড়িসনি কবির, এখনও কবিতা লিখে চলেছিস। ভালো, সাধু সাধু

    উত্তরমুছুন
  15. লিখে যা কবির। তোকে আদেশ দিলাম কবিতা লেখা ছাড়বিনা। আমাকে কথা দিয়েছিলি। মনে আছে? তোকে দিয়ে হবে। বাংলা সাহিত্য তোর আশায় বসে আছে। নিরাশ করিসনি। আমি সেদিনই বলেছিলাম- সাপের রক্ত তোর চোখে। তুই পারবি। এগিয়ে যা কবির, আগামী দিন তোরই।

    উত্তরমুছুন
  16. Eid Mubarak to you and your family. Happy Eid to everyone.

    উত্তরমুছুন
  17. শরিফুদ্দিন চাকলাদারশুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬

    জোস হইছে ভাই, সেই হইছে, মালে মালামাল। মাল খাইয়া যে লেখচেন, সেইটা বুঝা যায় ভাই। ইদ মুবারক

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. এই তুমি কে আমার কবিভাইকে উস্কানিমূলক কথা বলছো। তুমি আর একবার যদি আামার ভাইকে কিছু বল তাহলে আমি তোমাকে ফাকলাদার বলে ডাকব কিন্তু বলে দিলাম।

      মুছুন
    2. তুই বরভাইকে ইনসাট করলি ক্যান, খারা আইতাচি। তোরে ইদ মোবারক করি দিমু।

      মুছুন
    3. তুই গুপন কথা ফাক করলি কেনে, শালা মাগি

      মুছুন
    4. tui boro bai er kache maf cha. kobir bai boe nai. ami achi.

      মুছুন
    5. kobir vai. ei sala ke? chenen naki? kal rater kotha fas kore dilo.

      মুছুন
  18. কবিতা দূটি পড়ে স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। কবির অন্তর্দৃষ্টি ও উচ্চজগতের কল্পনা শৈলীর প্রশংসা করতেই হয়। ইদ মূবারক। দেয়া করবেন ভাই।

    উত্তরমুছুন
  19. কবিতাটি সময়ের নির্মম বাস্তবতা ও সমাজের অন্ধকার দিককে তুলে ধরে। প্রতিদিন সূর্যের ওঠা-নামার সঙ্গে সঙ্গে জীবনের নানা ঘটনা ঘটে—কেউ ঘুমায়, কেউ জাগে, আর সেই সময়ের মধ্যে মানুষের ব্যর্থতা, সমাজ ও রাষ্ট্রের দুর্বলতা প্রকাশ পায়। কবিতায় অরণ্যের চিত্রের মাধ্যমে একটি নৈরাজ্যপূর্ণ পৃথিবীকে দেখানো হয়েছে, যেখানে হত্যা, রক্তপাত ও বিশৃঙ্খলা স্বাভাবিক ব্যাপার, কোনো আইন বা নিয়ম নেই। সেখানে রাজা-প্রজার পার্থক্য মুছে গেছে, সবাই যেন মৃত বা জীবন্ত লাশের মতো। শেষ পর্যন্ত বোঝা যায়, এই পৃথিবী প্রতারণা ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে ভরা, যেখানে মানুষের মানবিকতা হারিয়ে গেছে।

    উত্তরমুছুন
  20. কিসমত জাহান টুনিশনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

    ভাই খুব অমায়িক কবিতা লেখছেন। খুব ভালো লাঘলো। থ্যংকইউ ভাই।

    উত্তরমুছুন
  21. গুলতেকিন কোবরা সুলতানাশনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

    ভাই, মনের মতো কবিতা লিখছেন। মিষ্টি হয়েছে। ভালো লেগেছে। ইদ মুবারক। বাড়িতে আসেন, সেমাই খেয়ে যান। আমার দোস্ত মকলু, আপনাদের সম্বাপাদক বাড়ি চেনে।

    উত্তরমুছুন
  22. পবিত্র ঈদ-ঊল- ফিতরের শুভেচ্ছা।মহান আল্লাহ সবাইকে আজকের আনন্দ ভাগ করে নেয়ার তোফিক দান করুক। সুন্দর একটি পৃথিবীর প্রত্যাশায় --

    উত্তরমুছুন
  23. ইদ মুবারক!
    ইদের ৩টি নতুন গান শুনুন আজ সকাল সাড়ে এগারো ঘটিকায় খুলনা বেতারে।

    উত্তরমুছুন
  24. নির্মল অনুভূতি। কবিকে শুভেচ্ছা। সম্পাদককেও ধন্যবাদ।

    উত্তরমুছুন
  25. ঈদ মোবারক। পবিত্র ও আনন্দঘন এ ঈদ সবার জন্য হোক শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের। সবার পক্ষ থেকে সকলকে ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

    উত্তরমুছুন
  26. এগলা যদি কবিতা কই
    কবিরের নানির পুটকি সই

    উত্তরমুছুন
  27. বই পড় কবির
    তাহলে বড় কবি হবার পাবু
    না হলে মুরুক্ষচোদা থাকপু

    উত্তরমুছুন
  28. এগলা যদি কবিতা কই
    কবীরভাইয়ের পুটকি সই

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. কবীর ভাইয়ের পুটকির খোঁঁজ করিস ক্যা রে। কোন গুপন ব্যাপার আছে নাকি?

      মুছুন
    2. কবিতা লিখছে বিরাট বাল
      কবীর ভাইয়ের পুটকি লাল

      মুছুন
    3. কবির ভাইয়ের মন বড়
      ওনার পুটকির সাইজও বড়

      মুছুন
    4. এই ছেলেরা, তোমরা কবির ভাইয়ের পুটকি নিয়া গবেষণা করতাছো কেনো? তোমরা কি চুমুবাবার দল কর নাকি?

      মুছুন
    5. প্লিজ অনুগ্রহপূর্বক প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করুন
      সবাইকে ঈদ মোবারক

      মুছুন
    6. মোবারক মিস্ত্রিসোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

      কবির ভাইয়ের পুটকি
      যেন ইলিশ মাছের শুটকি

      মুছুন
  29. তুমরা জানো না, নজরুলই নোবেল পুরস্কার পেতো। রবীন্দ্রনাথ ষড়যন্ত্র করে সেই নোবেল চুরি করে নিয়েছে।

    নজরুল যাতে নোবেল পুরস্কার না পায়, সেজন্য নিজের নাতনীকে তাঁর পেছনে লাগিয়ে দিয়েছিল। প্রমীলা নামের ওই নাতনী নজরুলের মাথা খেয়েছে।

    প্রমীলাকে দিয়ে রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে পাগল বানিয়ে ছেড়েছে। আর নোবেল পেল রবীন্দ্রনাথ। সবই ষড়যন্ত্র, গভীর ষড়যন্ত্র। কোন মুসলমান নোবেল পাক, এইটা কেউ চায় না।

    শুধু তাই না, নজরুলের কবিতা চুরি করে ছাপিয়ে রবীন্দ্রনাথ কবি হয়েছে। নজরুল যাতে এই কথা ফাঁস করে না দিতে পারে, তার জন্য নজরুলকে প্রমীলাকে দিয়ে ওষুধ খাইয়ে পাগল বানিয়েছে রবীন্দ্রনাথ।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. কবির ভাইয়ের নোবেল পুরস্কার রঠা কেন চুরি করল, সম্পাদক জবাব চাই।

      মুছুন
  30. গফুর গলাকাটার চরসোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

    মানুষগুলো সব জোকার
    কবির একজন ফাকার

    উত্তরমুছুন
  31. মহৎ মানুষের মহৎ লেখা। কবিরের মত উচ্চ চরিত্রের মানুষ কবিতার লাইনে আরও উচ্চ হবে এই প্রত্যাশা করি।

    উত্তরমুছুন
  32. কবির ভাইয়ের লেখা মানেই নতুন স্বাধ, নতুন ভাবনা। সত্যঐ মুগ্ধ হবার মত।

    উত্তরমুছুন
  33. কুড়িগ্রামের গর্ব আমাদের কবির ভাই, তার কবিতা শ্বেতপত্রে আরও চাই।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. প্রিয় পাঠক আন্তরিক শুভেচ্ছা নিন।
      নিশ্চয়ই কবির ভাইয়ের আরও কবিতা শ্বেতপত্রে পড়তে পাবেন।

      মুছুন
  34. কবির ভাই বড়লোক
    কবিরাজ্যের রাজার মালা তারই হোক।

    উত্তরমুছুন
  35. কবির ভাইয়ের মিষ্টি হাসি,
    আমি দেখতে ভালবাসি

    উত্তরমুছুন
  36. লিখন জোয়ার্দারসোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

    কবিতার উন্নতভাব সবাই বুঝবে না। শুধুমাত্র জ্ঞানীগুণী যারা তারা কবির সাহেবের কবিতার মর্ম অনুধাবন করতে পারবে। কবির সাহেবের লিখনিশক্তি আরও বেগবান হউক এই দোয়া করি।

    উত্তরমুছুন
  37. বাংলাদেশের হি\ন্দুরা সাধারণ কোনো কা*ফির বা মু*শরিক নয়। তারা ' হারবি' অর্থাৎ মুসলমানদের বিরুদ্ধে যু*দ্ধরত কা*ফির হিসেবে গণ্য হবে।

    এখন, আপনি প্রশ্ন করতে পারেন কীভাবে?

    আওয়ামী হায়েনাদের গত ষোল বছর ক্ষমতায় থাকার অন্যতম চালিকাশক্তি ছিল হিন্দুদের সহযোগিতা। মুসলমান নামধারী আওয়ামীদের সহযোগিতায় মুসলমান কো\পা\নো ( গু\ম,খু\ন, চাকরিচ্যুত, কা\রাব\ন্দী করা,পাচার, ধ\র্ষ\ণ) তথা হেন কোনো অপরাধ নাই, যেটা হিন্দুরা করে নাই। গত ষোল বছরে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা, নতুন কারিকুলামের নামে না\স্তি\ক্যবাদী শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর প্রধান সহযোগী ছিল এদেশের হিন্দুরা।

    আওয়ামী হায়েনাদের শাসনামলে তারা ছাত্রলীগের ছত্রছায়ায় বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ইসলাম পালন করা শিক্ষার্থীদের শিবির, জ*ঙ্গি এই রকম বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে অত্যাচার করতো। ভা\গাও লাভ ট্রা\পের নামে পরিকল্পিত ভাবে মুসলমান নারীদের ইজ্জত নষ্ট করার, ধর্মান্তরিত করার, ইন্ডিয়ায় পাচার করার অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। আওয়ামী হায়েনাদের পতনেও তারা ক্ষান্ত হয় নাই।

    আওয়ামী হায়েনাদের শাসনামলে পুলিশ বাহিনী, গোয়েন্দা বাহিনী গুলোতে হিন্দুদের একচেটিয়া নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এরা বিভিন্ন নামে মুসলমান কো\পা\তো, আওয়ামী লীগের ক্ষমতায় থাকার মূলভিত্তি ছিল।

    ইন্ডিয়ায় মুসলমানদের ওপর হিন্দুরা যে অত্যাচার, নির্যাতন করছে তাতে এদেশীয় হিন্দুরা খুব আনন্দিত,আহলাদিত। শুধু তাই নয় অনলাইনে ফি লি স্তি নের মুসলমানদের দুরবস্থায়ও তারা খুব পৈশাচিক আনন্দের সাথে উদযাপন করছে।

    বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যেসব হিন্দু শিক্ষক -শিক্ষিকা রয়েছে, তারা শ্রেণি কক্ষে মানবতাবাদ, বিজ্ঞানবাদ সহ বিভিন্ন বাতিল চিন্তাধারার প্রচার করে। ওরা জানে মুসলমান ঘরের ছেলে মেয়ে হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তরিত হবে না। তাই মুসলমান ছেলে মেয়ের মধ্যে ইসলামের ব্যাপারে সন্দেহ -সংশয় তৈরির জন্য এসব মতবাদের আশ্রয় নেয়। তাতে সাপও মরল, লাঠিও ভাঙল না। বাংলাদেশে শাতিমে রাসূলদের যে উৎপাত তারও পেছনে রয়েছে এই হিন্দু শিক্ষক ও একটিভিস্টরা।

    বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইসলাম বিরোধী শক্তি হচ্ছে, "প্রথম আলো গং"। এই প্রথম কালোর ৮০ভাগ সাংবাদিক, কর্মকর্তা হিন্দু। মুসলমান নামধারী যারা আছে, তারাও কমিউনিস্ট। আর বাংলাদেশে কমিউনিজম প্রচার করেছে, সাতচল্লিশে জমিদারি হারানো হিন্দুরা।

    তাই বাংলাদেশের মুসলমানদের উচিত হিন্দুদের প্রতি 'বারআ' শত্রুতা- ঘৃণার সুন্নাহকে জিন্দাহ করা। নিজেদের ঈমান নবায়ন করা।

    হিন্দুদের সাথে সামাজিক মেলামেশা, বন্ধুত্ব বাদ দেওয়া, লেনদেন করা বাদ দেওয়া, হিন্দুদের দোকান থেকে কেনাকাটা করা যাবে না, এমনকি হিন্দু সেলুনে চুল না কাটানো। হিন্দুদের বাসা ভাড়া দেওয়া যাবে না।( ওরা আপনার বাসা ভাড়া নিয়ে মূ\র্তিপূ\জা করবে, আপনার বাসাকে ছোটখাটো মন্দিরে পরিনত করবে।)

    হিন্দু দোকানদাররা দেখবেন অনেক নরম সুরে, মোলায়েম স্বরে কথা বলে। ওরা জানে শুধু হিন্দু কাস্টমার দিয়ে ব্যবসা টিকবে না, তাই এই কৌশল গ্রহণ করে। কিন্তু আবার যেখানে শক্তিশালী সেখানে আপনাকে নূন্যতম স্পেস দিবে না।যেমন চট্টগ্রামের হাজারি গলিতে মুসলমানরা ব্যবসা করতে পারে না, কুমিল্লা শহরের ঔষধ মার্কেটগুলোতে চাইলে মুসলমানরা দোকান দিতে পারে না, শাঁখারী বাজার, খুলনা, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলায় এই ধরনের জায়গা রয়েছে।

    উত্তরমুছুন
  38. Vai, u r a boss, ur kobita is really fine, i lick it.

    উত্তরমুছুন
  39. আসসালামু আলাইকুম ।

    🌙 ঈদের শুভেচ্ছা 🌙
    তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম (تقبل الله منا ومنكم)
    আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের সকল ইবাদত কবুল করুন 🤲
    এই ঈদ আপনার জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি ও অগণিত বরকত।
    ঈদ মোবারক 💫

    উত্তরমুছুন
  40. তোমার কবিতা পড়ে অতটা খুশি হতে পারলামনা। কুরান হাদিসের কথা কাহিনি দিয়ে কবিতা লিখলে খুশি হতাম।

    উত্তরমুছুন
  41. চীনের একজন বিখ্যাত দার্শনিক বলেছিলেন। অং চুং চা চুং চুং ফা,
    অর্থাৎ –যে বাল তুমি ছিঁড়তে পারবে না, সে বাল তুমি টানতে যেও না.।
    এই পোস্ট দাতার ছোট্ট বাড়া,
    জীবনেও হয় না খাড়া।
    একটু দিলে নাড়া,
    শুরু হয় পানি পড়া।
    তবুও Post ছন্দে সেরা,
    এই জন্য চাইনা এক কবি বলেছিলেন, অং সাং ফুং পাং লাম বাল ম সং।
    এর বাংলা অর্থ হল,
    অল্প বয়সে পাকিলে বাল, দুঃখ থাকে চিরকাল।😂😂

    উত্তরমুছুন
  42. সুদীপ্ত বিশ্বাস


    জঙ্গিবাদ

    সন্ত্রাসী যে ধর্ম শুধু শেখায় জেহাদ
    সেটা কোনো ধর্ম নয়, তাকে দাও বাদ।
    মানুষকে খুন করে উল্লাসিত হয়!
    যেনো সেটা জঙ্গিবাদ, সেটা ধর্ম নয়।

    যদি কোনো ধর্ম বলে শুধু সেই ঠিক
    বিধর্মীকে হত্যা করো, অস্ত্র তুলে নাও
    সেই ধর্ম ছুড়ে ফেলো, চিনে নাও দিক
    তাতে যদি দুঃখ আসে, কষ্ট আসে তা-ও।

    যদি কোনো ধর্ম দেয় জেহাদের বার্তা
    বলে তাকে খুন করো, যে নয় আমার
    হিংসা ধ্রুব সত্য আর ব্রাত্য মানবতা!
    মানুষকে পুড়তে দেখে ঘুম আসে আর?

    যে ধর্মেতে লেখা আছে মানুষকে মারো
    পোড়াও সে ধর্মগ্রন্থ তুমি যত পারো।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. জুম্মা মোবারক। নাস্তিকদের কল্লা কাটা ফরজ। নাস্তিকের কল্লা দিয়ে ফুটবল খেলা ফরজ।

      মুছুন
  43. সকল প্রশংসা কমেন্ট দাতাদের, সকলের উপর কবির ভাইয়ের কবিতা বর্ষিত হোক। 🤲

    উত্তরমুছুন
  44. কবিরের কবিতা
    যেন নায়িকা ববিতা
    খুব মিস্টি চমচম
    পুটকি মারো হরদম

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. কি হে নাউয়ার বেটা কবি ইদ্রিস আলী
      তোর ওই বালছাল লেখা পড়ার জন্য আমরা শ্বেতপত্র পড়ি না। নাম রাখছিস ফির কবি। বেয়াদব।

      মুছুন
  45. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের ঠেকাতে হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই হয়ে একসাথে কাজ করতে হবেঃ-
    বাংলাদেশের তথাকথিত বাঙালী দাবীদার মুসলিমদের শুত্রু দুই দিকে। একদিকে পাকিস্তানী মুসলিমরা বাঙালি মুসলমানদের দেশটির মাটি দখল করতে চায়, আরেকদিকে ভারতে সামান‍্য উগ্র হিন্দু জাগরণের ফলে পাকিস্তান সহ বাংলাদেশের মাটিকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অখণ্ড ভারতীয় ভুখন্ড মাটি দাবী করে ভারতের এই সামান‍্য জাগরিত উগ্রবাদী হিন্দুত্ববাদীরা দখল করতে চাই। যে কোন সময় সংখ‍্যায় এই ক্ষুদ্র উগ্রবাদী হিন্দুত্ববাদীরা পাকিস্তান বাংলাদেশ নিজেদের হারানো ভুখন্ড মাটি দাবী করে তিব্বত, তায়ওয়ান, গ্রীনল‍্যান্ডের মতো হামলা করে দখল করে নিতে পারে কয়েক বছরের মধ্যেই, এ রকম পরিস্থিতি হতে পারে।
    এজন‍্য পাকিস্তান বাংলাদেশের মুসলিমদের সফট হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে ও বিজেপির সফট হিন্দুত্ববাদী নেতা মোদি যোগি হিমন্ত পুস্তকধামী এদের সাথে বন্ধুত্ব করতে হবে। এরা কখনও পাকিস্তান বাংলাদেশ ভারতের হারানো মাটি ভুখন্ড দাবী করবে না, বরং এগুলো মুসলিমদের থেকে দখল করতে বাঁধা দেবে, উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হাত থেকে পাকিস্তান বাংলাদেশকে বাঁচাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রয়োজনে ব‍্যবহার করে নিরাপত্তা দেবে, উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদীদের ঠেকিয়ে রাখবে।
    এদের সহযোগিতায়, উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের ঠেকাতে, ভারতীয় আদিপত‍্য ও দখল ঠেকাতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব মজবুত রাখতে রাষ্ট্র ধর্ম ও ইসলামকে সশক্তিকরন আরো জোরদার করতে হবে। ধর্মীয় রাস্ট্রের শক্তি বেশী। বাংলাদেশ ধর্মীয় রাস্ট্র ইসলামী রাস্ট্র না হলে ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের দাবী ও বাংলাদেশ ভুখন্ড দখল ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
    একদা মুজিব আল্লাহু আকবর বলে হিন্দুদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তান বাংলাদেশ তৈরী করেছিল এর পাল্টা কোন একদিন উগ্র হিন্দুরা হর হর মহাদেব বলে মুসলিমদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ভারতের হারানো ভুখন্ড দাবী করে ছিনিয়ে নিলে মুসলিম মুক্তিযোদ্ধারা ঠেকাতে পারবে?
    ইসলামে মুক্তিযোদ্ধা বলে কিছু হয় না। ইসলাম রক্ষার যুদ্ধকে ওরা মুক্তিযুদ্ধের নাম দিয়েছিল।
    মুসলমান স্বাধীনতা সংগ্রামী বলে কিছু হয় না। মুসলমান মুক্তিযোদ্ধা বলেও কিছু হয় না। কারন ইসলাম ধর্মের শিক্ষায় স্বাধীনতা, গনতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা মানবজাতির মুক্তির সংগ্রাম বলে কিছুরই অস্তিত্ব নেই। আছে? তাহলে ইসলামের শিক্ষায় কি আছে বাংলাদেশ ভারতে এত এত মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিসংগ্রামী, স্বাধীনতা সংগ্রামী হল কোথা থেকে?
    খেলাফতের অধীনে নিয়ে যাবার লড়াইকে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম বলে ধরলে তবেই উপমহাদেশে মুসলিম স্বাধীনতা সংগ্রামী বলে কোন কোন মুসলিমকে ইতিহাসের পাতায় পাবেন। এছাড়া যদি কোন স্বাধীনতা সংগ্রামী থাকে তারা মুসলমান নয়। মুসলিম শুধু মুসলিমই হয়। মুসলমান হলে তারা স্বাধীনতা সংগ্রামী নয়, স্বাধীনতা সংগ্রামী হলে তারা মুসলমান নয়। মুসলিম হলে মুক্তিযোদ্ধা হয় না, মুক্তিযোদ্ধা হলে মুসলিম হতে পারে না।
    ইসলাম একমুখী কেবল মুসলিমদের মুক্তি ও উম্মাহ কামনা করে। মুক্তিযুদ্ধ কখনও অসাম্প্রদায়িক ছিল না। দ্বিজাতিতত্ত্বের লোকেরা যারা ৪৬শে আল্লাহু আকবর ধ্বনি দিয়ে হিন্দুদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তারাই ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের নামে আল্লাহু আকবর ধ্বনি দিয়ে হিন্দুদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে আলাদা পাকিস্তান কায়েম করতে কৌশল নিয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা সেজে।
    মুজিব কি স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিল নাকি ভারত বিভক্তকারী খেলাফতি, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তি সংগ্রামী ছিল?

    উত্তরমুছুন
  46. কোরানে শূকর (খিঞ্জির) শব্দটি একবার নয়, আছে ৪ বার। মোহাম্মদ নামটিও আছে ৪ বার। আর মিথ্যাবাদী (কাজ্জাব) শব্দটিও আছে ৪ বার। এটা কোরানের একটি সংখ্যাতাত্ত্বিক মিরাকেল। সবগুলো মিলে দাঁড়ায় -
    Muhammad pig liar.
    মাঝের p-টা উল্টে দিলেই আসল মিরাকেলটা বেরিয়ে পড়ে -
    Muhammad big liar.

    উত্তরমুছুন
  47. নাহিদা বৃষ্টি ও জামিল লিমন বিবাহ বহির্ভুত অবৈধ সম্পর্কে জড়িত ছিল। জেনাকারীর শাস্তি হত্যা করা। আমার ফিলিস্তিনি ভাই ওদেরকে খুন করে ঠিক কাজ করেছে, আল্লাহর আদেশ বাস্তবায়ন করেছে।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. নাহিদা বৃষ্টি ও জামিল লিমন বিবাহ বহির্ভুত অবৈধ সম্পর্কে জড়িত ছিল। জেনাকারীর শাস্তি হত্যা করা। আমার ফিলিস্তিনি ভাই ওদেরকে খুন করে ঠিক কাজ করেছে, আল্লাহর আদেশ বাস্তবায়ন করেছে।

      মুছুন
    2. খুনী আমেরিকায় সেটেল্ড ভারতীয় হিন্দু হলে এতোক্ষণে ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে লং মার্চ শুরু হয়ে যেতো। কিন্তু যেহেতু ফিলিস্তিনি এবং মুসলিম, তাই অপরাধীর কোনো ধর্ম এবং দেশ নাই।

      মুছুন
    3. তখন বাঙ্গু হেঁদুদের বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে দিতো।

      মুছুন
    4. এই খবরের যতগুলো ফটোকার্ড, বিস্তারিত লেখা কিংবা শর্টনোট যা চোখের সামনে এসেছে তার কোথাও খুনির দেশীয় পরিচয় কেহ দেয় নাই। সবাই এই বিষয়টা খুবই সুক্ষ্মভাবে এড়িয়ে গেছে 🙂

      মুছুন
    5. আমেরিকান ভিন্ন হিসাব, এই খু*নিটা অন্য বিলিফের হ‌লেই ফেসবুকে থাকা যেত না।

      মুছুন
  48. গতকাল নীরবে চলে গেলো বেশ্যকবি কবিগরু সোনাগাছির ৪৩ পতিতালয়ের গর্বিত উত্তরাধিকারী রঠার জন্মবার্ষিকী।

    পতিতালয়ের উত্তরাধিকার হওয়ার সুবাদে সেখানে রঠার ছিল অবাধ বিচরণ। তার এই অবাধ বিচরণ আর বহুগামিতার ফলে একসময় সিফিলিস রোগ আক্রান্ত হন আমাদের রঠা।

    ছবি: পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা রবীন্দ্রনাথের 'প্রথম জীবনী' বইয়ের প্রচ্ছদ।

    উত্তরমুছুন
  49. সম্প্রতি আমরা বাংলা গান্ডুবুকস্ফিয়ারে একটি বিশাল জ্ঞানবান আইডিয়ার প্রচার দেখতে পাচ্ছি। কুতুবরা বলছেন, ইয়া নাদানস তুমরা রঠান্দ্রনাথকে গালি দাও, জীবনে কোনদিন রঠা পড়ছো? রঠা বুজচো?

    বিষয়টা ঐ রকম আর কি। ঐ যে বলে না, ঢাকা ভার্সিটির সমালুচনা করতে হলে আগে চান্স পেয়ে দেকাও।

    আগে একটা ছোট ঘটনা বলে নেই। গতকাল জুমার পর ছগির ভাই বললেন, রঠামাগি রেজুয়ানা চৌদুরি বন্যা তুমাদের শহরে গান গাইতে আসচে। আগামীকাল (মানে আজকে, শনিবার) পেনরিথে অনুষ্ঠান, যাবা?

    ভাই কমিউনিটির একজন বড় কুতুব। উনার কাছে সব খবরাখবর থাকে। ভাইয়ের প্রশ্ন শুনে হেসে দিলাম। বললাম, ঐ যে একটা মিম আছে না একটা মেয়ে জিগাইতেছে, পারবা? ঐটা মনে পড়লো। না ভাই আমি পারবো না।

    রঠান্দ্র সঙ্গীতের সাথে আমার কোন সমস্যা নাই কিন্তু রঠার সাথে অনেক সমস্যা আছে। হারামজাদায় হিন্দুত্ববাদ ও জমিদারদের প্রতীক। বন্যা তো শেহা ডাইনির বান্ধবী। শেহা না কি সকালে তাহাজ্জুদ পড়ার পর বন্যার কণ্ঠে প্যা প্যা শুনে দিন শুরু করতো। ফ্যাসিবাদের এইরকম সহচর যদি তাফসির মাহফিল করতে আসে সেখানেও তো যাবো না, রঠান্দ্রচর্চা সেখানে চিন্তারও বাইরে।

    তো আমি কি রঠার গান শুনি? হ শুনি। তার অনেক গান শুনে মাঝে মাঝে আমার মন আদ্র হয়। অর্থ্যাৎ স্যাৎস্যাতে হয়। তার ছোটগল্প সহ অনেক বই আমার কাছে আছে, পড়তে ভালো লাগে কখনো। তার বিরোধীতা করার পরও মাঝে মাঝে তাকে আস্বাদন করি। কি আস্বাদন করি তার উদাহরণ দিয়ে ঐ গান্ডুমতবাদকে স্থান পর্যন্ত দেবো না। তবে যে তাকে আস্বাদন করেনা, সেই মানুষেরও রঠার সমালোচনা ও বিরোধীতা করার অধিকারকে আমি পুরোপুরি সম্মান করি। এইখানেই রঠাপুজারীদের সাথে আমার বা আমাদের পার্থক্য হওয়া উচিত।

    বিষয়টা মনে করেন মদের মতো। অনেকে আছে মদের বিদগ্ধ। সে আপনাকে বলবে অমুক ওয়াইনের এই এই গুণ আছে, তমুক ওয়াইন খারাপ। অন্যদিকে আমি মদ খাইনা্ কোনদিন খাইনাই। কিন্তু আমিও মদের সমালোচনাকারী বিরোধীতাকারী। এখন কিছু বিদগ্ধকে দেখবেন আমার মতামত শুনবে, তেড়ে আসবে না। আর কিছু মদপুজারী আছে যারা খেপে যাবে। বলবে, আগে চান্স পেয়ে দেকাও। এরা হলো এলকোহলিক। এরাই রঠাপুজারী।

    দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো গোলামদের দেশে বিদগ্ধ নাই, আছে সব পুজারী গান্ডু। রঠাকে ুদকে হলে রুচি উন্নত প্রমাণ দেয়ার কোন দরকার নাই। ইন ফ্যাক্ট, রঠা মারালে যে রুচি হয় সভ্যতা হয় এইটাই একটা মাদার োদি চিন্তা। বরং বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও পরিচয়ে রঠান্দ্রের রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে বাংলাদেশে যে কোন মানুষ যে কোন সময় তাকে ুদার অধিকার রাখে। তামাম শুদ।

    উত্তরমুছুন
  50. kolkatay dangga suru hoye gese. 2000 khun

    উত্তরমুছুন
  51. বাংলাদেশী মুসলমানদের সমস্যা কি জানেন? এরা ভারতীয় হে*ন্ডু আর বাংলাদেশী হে*ন্ডুদেরকে আলাদা মনে করে। অথচ এদেশের ৯৯% হে*ন্ডুই ই*স*লামের প্রতি বি*দ্বেষ পোষণ করে, যদিও থাকে মুসলিম দেশেই।এক চাচা বলেছিলেন আপনারা দেখেছিলেন কি না, যে ভারতে মু*সলি*মদের ম|রা হলে আমরা এদেশের হে*ন্ডু*দেরও ম|ইর| ফেলমু।কথাটা খারাপ শোনা গেলেও ট্যাকনিক্যালি সেটাই করা উচিৎ, কারণ এদেশের সমস্ত হে*ন্ডু নিজেদেরকে ভ|রতীয় মনে করে এবং বিজেপি এর মতো উ*গ্র স*ন্ত্রা*সীদেরকে সমর্থন করে।আর এরা যে বাংলাদেশী এদের তখনই মনে পড়ে যখন এদেরকে মু*সলমানরা থেরাপি দেয় এবং তখন গিয়ে সংখ্যা লঘু কার্ড খেলা শুরু করে।

    উত্তরমুছুন
  52. পৃথিবীর সবচেয়ে ঝুকিপূর্ন গন হত্য। প্রবণ এলাকা হচ্ছে বাংলাদেশ। গায যার চেয়েও বেশি ঝুকিপূর্ন।

    মসজিদুল আকসার যমীনকে পৃথিবীর উন্মুক্ত কারাগার বলা হয় কারণ এর দুদিকে দাজজালের বাহিনী হিড্রেল দ্বারা বেষ্টিত, একদিকে সমুদ্র আর আরেকদিকে মিসরের রাফাহ।

    ফালাস্তিন এমন ছিলো না। বরং সব আরব দেশের সিকিউরিটি ও মর্যাদায় সে বসবাস করতো।

    বহু চক্রান্ত করে জিওপলিটিক্যাল ব্যালেন্স নষ্ট করার পর পবিত্র ভূমিকে প্রথমে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা হয়। বাকি ম্যাসাকর, বম্বিং এগুলোতো আমাদের চোখের সামনেই।

    বাংলাদেশের অবস্থা আরো করুণ আসলে। আমাদের মিয়ানমার সাইডে আরাকান আর্মি, যারা তাদের নিজেদের দাবী অনুযায়ী সংস্কৃতভাবে মগ ও বংশগতভাবে গ্রেটার ইজরায়েলের সন্তান।

    আর দুদিকে আগুন ও মুর্তির পুজারী শিরকের অনুসারী বজরং আর এস এস দের সীমান্ত। পশ্চিমবঙ্গে জেতার একদিনের মাথায় অলরেডি তারা নির্যাতন, ধ্বংসলীলা শুরু করে দিয়েছে।

    .

    প্রত্যেক শত্রুর হিংস্রতার একটা আর্ট থাকে। যেমন আমেরিকার আর্ট হচ্ছে বম্বিং।

    আগুনের পুজারীদের আক্রমনের ধরণ হচ্ছে নারী শিশুকে রেইপ, জব।ই ও গল। কাট।র মাধ্যমে উল্লাস করা। গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে একটু ঘাটুন। পৈশাচিক উল্লাসে তারা প্রেগ্নেট মায়ের পেট কেটে বাচ্চা বের করে সেটাতে দাপিয়েছিলো এই আগুনের পুজারীরা।

    আর মগদের উল্লাসের ধরণ হচ্ছে, পিওর ক্যানিবালিজম। মানে শত্রুকে তিলে তিলে মেরে অর্ধমৃত না হতেই সেই মানুষের মাংস ভক্ষণ করা। তাতারদের উত্তরসূরী বলে কথা।

    সো আপনার তিনপাশের শত্রু হচ্ছ এরা। আর একপাশে সমুদ্র সৈকত।

    পবিত্র ভুমির জিওগ্রাফির সাথে নিজেদের কোনো অমিল পান? একদম সেম!

    আমাদের হাতে সর্বোচ্চ কতসময় আছে?

    সাধারন সমীকরন ভুল না হলে, সর্বোচ্চ গেলে ২০৫০ আর সর্বনিম্ন হলে সেটা যেকোনো সময়ের ব্যাপার আসলে...

    ২০৫০ বলা কারণ এই সময়ের ভেতরে আরো কিছু সংকটের মুখে পড়বো আমরা। পানি সংকট, কর্মস্থান সংকট ও অধিক জনসংখ্যায় যমীন সংকট।

    সেই দু:সময়ে আপনাকে কোনো পরাশক্তি হেল্প করবেনা আসলে। কারন জিওপলিটিক্যাল ইন্টারেস্টে আপনার গর্দান যাওয়াটাই চায়না আমেরিকা উভয়কেই বেশি উপকৃত করবে। যেমনটা এখন গ।যযায় দেখছেন।

    এখানে একটাই সমাধান ছিলো। সেটা হচ্ছে, এই যমীনে জ্ঞান, সামরিক সক্ষমতা ও ইসলামের সমন্বয় ঘটানো। কিন্তু আমাদের দেশের আমলা শ্রেনী কসম কাটসেন যে, জান গেলেও ইসলাম আসতে দিবো না।

    কুরবানিতে রাস্তায় গরু ফেলার পর যেমন এক গরু আরেক গরুর চামড়া ছাড়ানো দেখতে দেখতে নিজের পালা আসার অপেক্ষা করে... সেরকম একটা মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে বাকি জীবন কাটিয়ে দিন।

    এ যমীনের নিয়তিতে এটা বোধহয় লিখা হয়ে গিয়েছে... আপনি, অথবা সর্বোচ্চ আপনার পরের প্রজন্ম...

    উত্তরমুছুন
  53. মীর সালমান শামিলশনিবার, ০৯ মে, ২০২৬

    আল মাহমুদ বলেছিলেন যদি রবীন্দ্রনাথের সমস্ত কবিতা বাংলাদেশের মাটিতে পুঁতে দিনরাত পানি ঢালা হয় এরপরেও তা থেকে কোনদিন কোন উদ্ভিদ জন্মাবে না। বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ এমই নিস্ফলা।

    ফররুখ আহমদ বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ একজন ভারতীয় কবি। পৃথিবীর সব দেশেই অনেক ভালো ভালো কবি আছে, আমরাই সবাইকেই পড়বো।

    ইংল্যান্ডের মানুষ যেভাবে আমেরিকার কবি রবার্ট ফ্রস্টকে পড়ে, অস্ট্রিয়ার মানুষ যেভাবে জার্মানির কবি হেরমান হেসকে পড়ে, আমরাও সেভাবে ভারতের কবি রবীন্দ্রনাথকে পড়বো।

    আর বাইরে আর কোন লেনদেন নাই, রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশের কেউ না।

    @ মীর সালমান শামিল

    উত্তরমুছুন
  54. কামরুজ্জামান কামরুজ্জামানসোমবার, ১১ মে, ২০২৬

    কিভাবে বুঝবেন আপনিও আমার মত আরেকজন কামরুজ্জামান কামরুজ্জামান? চেক করে দেখেন কোনোটা মিলে কিনা -

    ১. কেউ নরম সুরে কথা বললেই আমার মন দুর্বল হয়ে যায়। সব অভিমান ভুলে মাফ করে দিয়ে আবার ধরা খেতে যাই।

    ৩. কেউ দাওয়াত করে কিছু খাইতে দিলেই তার দোষ ভুলে যাই।

    ৪. মেয়ে মানুষ চোখে চোখ রাখলেই তাকে আপন লাগে।

    ৫. মারা খাইতেছি স্পষ্ট টের পাই, তবুও লোকে কি বলবে এই ভয়ে মুখের উপর না করতে পারিনা। কিছু বলতেও পারিনা।

    ৬. ভালো কোন জিনিস আমারটা কেউ চাইলে দিয়ে দেই। যতই দরকারি হোক মানুষকে না করতে পারিনা।

    ৭. মুরুব্বিদের আপন ভেবে তার কাছে নিজের ভুল বলে দেই৷ মাঝেমাঝে আমার ছেলেপেলের ভুলও বলে দেই। পরে সেটা পুরা এলাকা হয়ে যায়।

    ৮. শপিন করতে গেলে জিনিসপত্রের দামদস্তুর করতে পারিনা দোকানদার রাগ করবে ভেবে।

    ৯. পাওনা টাকা ফিরত চাইতে ভয় পাই। যদি জিজ্ঞাস করে, হঠাৎ কি এমন দরকার পরলো যে আমার এখন টাকা ফিরত লাগবে?

    ১০. মুখে বরন উঠলে নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে কুৎসিত মানুষ মনে হয়। সমাজে আর মুখ দেখাইতে পারিনা। নিজেকে অপরাধী মনে হয়।

    এরমধ‍্যে কোনটা কি কারো সাথে মিলে? নাকি দুনিয়াতে আমি একাই বোগদা?

    কামরুজ্জামান কামরুজ্জামান
    সুইজারল্যান্ড প্রবাসী

    উত্তরমুছুন
  55. সাব্বাস কবির ভাই, একেবারে খাপে খাপ, জব্বারের বাপ। একখান ১ এর কবিতা লিখছেন। সেই হইছে।

    উত্তরমুছুন
  56. ফিরদাউস হাসান কুড়িগ্রামীবুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

    হঠাৎ করেই কুড়িগ্রামের বিভিন্ন প্রান্তে বিদেশীদের বেশ আনাগোনা দেখা যাচ্ছে, এর কারণ কি হতে পারে?
    আমাদের কাছে মিশন কর্তৃক আ।ক্রান্ত একটি চরের সংবাদ আসলে তাৎক্ষণিক সাথীদের নিয়ে ছুটে যাই সেই চরে। দুর্ভাগ্য বলবো না-কি সৌভাগ্য বলবো বুঝতে পারছি না! চরে পা রাখার সাথে সাথেই হঠাৎ আমাদের সামনেই পড়ে যায় বিদেশি কয়েকজনের একটি টিম, সাথে রয়েছে স্থানীয় কিছু দালাল।

    আমরা তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলাম- এই চরে আপনারা কেন! এখানে আপনাদের কি কাজ?
    উত্তরে স্থানীয় দালালদের মধ্য থেকে একজন জবাব দিলো: উনারা বিদেশি, এখানে মিশনের কাজে এসেছেন।
    আমি: উনাদের মিশন কি?
    দালাল: এই চরে এনজিও কর্তৃক নারী কমিউনিটি সেন্টার পরিদর্শনে এসেছেন।
    আমি: এই কমিউনিটি সেন্টারে উনাদের কি কাজ?
    দালাল: এখানে নারীদের উন্নয়নে কাজ করা হয়।
    আমি: এ যাবৎ নারীদের কি কি উন্নয়ন করা হয়েছে?
    দালাল: নারীদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কৃষি কাজ ও বন্যার সময় বন্যার মোকাবেলায় কর্মদক্ষতার।
    আমি: পুরুষদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় না কেন?
    দালাল: আসলে আমাদের নারীদের নিয়েই কার্যক্রম।
    আমি: যে নারী একটা তেলাপোকা দেখলে তিন হাত লাফিয়ে পুরুষের কোলে উঠে বসে, সেই নারীকে প্রশিক্ষণ দেবেন বন্যার মোকাবেলায় কর্মদক্ষতার! আসলে পুরুষরা এগিয়ে গেলে সমাজ এগিয়ে যাবে নাকি নারীরা এগিয়ে গেলে সমাজ এগিয়ে যাবে?
    দালাল এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে না পেরে দ্রুত কেটে পড়ে বিদেশীদের নিয়ে।

    তাহলে কুড়িগ্রামে এত বিদেশীদের আনাগোনা কেন?
    ছবিতে যাকে দেখছেন! প্রচলিত আছে- এই লোকটি হলো ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত "জ-মার্ক সেরে-শারলে" হঠাৎ কুড়িগ্রামে কি করছে? গুঞ্জন উঠেছে সে স্থানীয় ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান পাদ্রি ও তথাকথিত ঈসায়ী মুসলিম জামায়াত নামক মিশ।নারিদের সাথেও দেখা সাক্ষাৎ করেছে।

    দীর্ঘ সময় নিয়ে কাজ করার পর চট্টগ্রাম ও পাহাড় খাওয়ার পর, পুরো শক্তি ও আর্থিক সহায়তা, এবং লোকবল ও ষড়।যন্ত্রমূলক জাল বিস্তার করছে।
    সে এখন কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও বৃহত্তর দিনাজপুরে।
    কুড়িগ্রামে ইতোমধ্যেই ১৬-২০ হাজার লোক খ্রিস্টান হয়ে যাওয়ার আনুমানিক একটি রূপরেখা আপনাদের সামনে ইতিমধ্যেই পেশ করেছি।

    আমরা এদিকে হা হয়ে বসে রয়েছি। ওদিকে আর্থিক ও লোকবল নিয়ে মুসলিমদের খ্রিস্টান বানানোর জন্য তারা অনেক তৎপর হয়ে পড়েছে।

    বিপ্লব করে এদেরকে ঠেকানো যাবে না, চাই এনজিওর মোকাবেলায় মুসলিম এনজিও। প্রয়োজন আইনের সঠিক প্রয়োগ ও স্বচ্ছতার জবাবদিহিতা। ওলামায়ে কেরামের মসজিদ-মাদ্রাসা ছেড়ে ময়দানে জাতীয় পড়া অতীব প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। অনেকদিন ধরেই চিৎকার চেঁচামেচি করে আসছি- তবুও আমি দেশের মানুষকে সচেতন করতে পারছি না, এটা আমার ব্যর্থতা। তবে আমার ব্যর্থতাকে আপনারা যদি নিজের ব্যর্থতা হিসেবে না নেন, তাহলে খুব শীঘ্রই আপনার ঘরে আপনার দুয়ারে আপনার পাড়া মহল্লায় বিদেশি প্রভুদের ক্রুশ চিহ্ন ঝুলবে নিশ্চয়ই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝার তৌফিক দান করুন, আমীন।

    ফিরদাউস হাসান কুড়িগ্রামী

    উত্তরমুছুন
  57. জাজিরাতুল আরবশুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

    ভারতে ১০০ বেশি মসজিদ জালিয়ে দিল হিন্দুরা। খুন হল হাজারের বেশি মুসলমান। এখনও ঘুমাবে হে মুসলমান?

    উত্তরমুছুন
  58. ছাত্র: হুজুর, জান্নাতে নাকি ৪টি নদী থাকবে?
    হুজুর: তুমি ঠিক শুনেছো, নদীগুলো হলো — ১। দুধের নদী, ২। পানির নদী, ৩। সুস্বাদু মদের নদী, ৪। পরিশোধিত মধুর নদী
    .
    ছাত্র: হুজুর, জান্নাতে না যা ইচ্ছে তা পাওয়া যায়, তাহলে আলাদাভাবে এসবের লোভ দেখানোর মানে কী?
    হুজুর: এগুলো আল্লাহ ভালো জানে, আমাকে বলছো কেন?
    .
    ছাত্র: আচ্ছা, জান্নাতে যেহেতু দুধের নদী, মদের নদী, মধুর নদী থাকবে — তাহলে এর উৎস ও গন্তব্য নিশ্চয়ই থাকবে? এসবের উৎস ও গন্তব্য কোথায়, আপনি বলতে পারবেন?
    হুজুর: এটাও আল্লাহ ভালো জানে।
    .
    ছাত্র: আচ্ছা হুজুর, আল্লাহ এমন এক জান্নাতের কথা কল্পনা করলেন যেখানে গাভীর দুধ আসবে নদী দিয়ে — এটা আপনি কীভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
    হুজুর: যেহেতু দুধের নদীর কথা কোরানে আছে, এটা ব্যাখ্যা করার কিছুই নাই। তিনিই ভালো জানেন।
    .
    ছাত্র: হুজুর, দুধ তো আমরা পাই পশু থেকে — সেটা নদী দিয়ে আসবে কীভাবে? ফর্মুলা কী?
    হুজুর: আল্লাহর হুকুমে।
    .
    ছাত্র: সেতো বুঝলাম, ফর্মুলা কী? তাছাড়া এই এক নদী দুধ একজন মানুষ পান করবে কীভাবে? এর দরকার কী? এত দুধ দিয়ে একজন জান্নাতি করবেটা কী?
    হুজুর: তাতে তোমার এতো সমস্যা কী?
    .
    ছাত্র: আরে হুজুর, যেখানে এক গ্লাস দুধ হলেই যথেষ্ট সেখানে এক নদী দুধের কামটা কী? তাছাড়া এমন প্রতিশ্রুতি শুনে আত্মঘাতী হামলা করে নয়, বরং হেসেই মরে যেতে ইচ্ছে করছে।
    হুজুর: তোমারে মরতে নিষেধ করছে কে? তুমি মরো, সমস্যা কী?
    .
    ছাত্র: আচ্ছা হুজুর, বাদ দেন — মধু তো থাকে মৌচাকে। এই মধু নদী দিয়ে আসবে কীভাবে?
    হুজুর: সেটা আল্লাহ ভালো জানে।
    .
    ছাত্র: আরে হুজুর, মৌমাছিরা মধু আহরণ করে তাদের বাচ্চাদের জন্য, মানুষের জন্য নয়। মানুষ মৌমাছিদের তাড়িয়ে মধু সংগ্রহ করে — এই মধু নদী দিয়ে আসবে কীভাবে?
    হুজুর: সেটাও আল্লাহই ভালো বলতে পারবেন!
    .
    ছাত্র: ১০০ মিলিগ্রাম মধুই যেখানে যথেষ্ট, সেখানে মধুর স্রোতে ভাসিয়ে দেওয়ার চিন্তাটা একেবারেই আজগুবি নয় কি?
    হুজুর: আজগুবি হবে কেন, এগুলো তো কোরানে লেখা আছে।
    .
    ছাত্র: হুজুর, নদী দিয়ে শুধু মদ আর মদ আসবে — এটা আপনি কীভাবে বিশ্লেষণ করবেন?
    হুজুর: কী আর বিশ্লেষণ করবো, আল্লাহ ভালো জানে।
    .
    ছাত্র: আল্লাহর এই এক নদী মদের প্রতিশ্রুতির একটা সীমা থাকা কি উচিত ছিল না?
    হুজুর: কথাটা মন্দ বলোনি, ভাববার বিষয়।
    .
    ছাত্র: হ্যাঁ তাইতো — একজন মানুষকে প্রতিদান হিসেবে মদের নহর দেওয়া হচ্ছে, সেটা কি অসুস্থ আদিম চিন্তা নয়?
    হুজুর: এগুলো আল্লাহর রহমত, তুমি বুঝবে না। তাছাড়া জান্নাতি মদে তো আর নেশা হবে না — যে যা খুশি পান করবে, তাতে সমস্যা কী?
    .
    ছাত্র: হুজুর, যে মদে নেশা হয় না সেটা কি মদ নাকি শরবত?
    হুজুর: সেটা আল্লাহ ভালো জানে।
    .
    ছাত্র: হুজুর, এবার আসি সোনার বাড়ির প্রসঙ্গে। জান্নাতে নাকি সোনার বাড়ি পাওয়া যাবে। কিন্তু সোনার বাড়ি দিয়ে আমি কী করবো?
    হুজুর: থাকবে, আরামে থাকবে।
    .
    ছাত্র: হুজুর, সোনার বাড়িতে থাকার আরামটা কোথায়? সোনা তো শক্ত ধাতু, নরম কাঠ বা ইটের মতো আরামদায়ক নয়। তার চেয়ে বড় কথা হলো — যদি জান্নাতে সবার সোনার বাড়ি থাকে, তাহলে সোনার কোনো বিক্রয়মূল্য থাকবে না। যেখানে সেল ভ্যালু নেই, সেখানে মাটি আর সোনার পার্থক্য কোথায় হুজুর?
    হুজুর: জান্নাতে কেনাবেচার দরকার নেই, সব আল্লাহ দেবেন।
    .
    ছাত্র: তাহলে সোনার বাড়ির বিশেষত্বটা কী? পৃথিবীতে সোনা মূল্যবান কারণ এটা দুর্লভ। জান্নাতে যদি সবার কাছেই থাকে, তাহলে সেটা আর বিশেষ কিছু রইলো না। ময়লার স্তূপ আর সোনার স্তূপ তখন একই কথা, তাই না?
    হুজুর: এটা আল্লাহ ভালো জানেন।
    ছাত্র: হুজুর, এই উত্তরটা আমি আগে থেকেই জানতাম।
    .
    ছাত্র: হুজুর, জান্নাতে নাকি বিশাল খেজুর বাগান থাকবে। এত বড় খেজুর বাগান নিয়ে আমি কী করবো? আমার তো দিনে দশ-বিশটা খেজুর হলেই হয়ে যায়। বাকিগুলো কি পচে নষ্ট হবে?
    হুজুর: নষ্ট হবে না, জান্নাতে সব অক্ষয়।
    .
    ছাত্র: ঠিক আছে, নষ্ট হবে না। কিন্তু বিক্রিও তো করতে পারবো না। প্রতিবেশীকে দিতে গেলে সেও বলবে — ভাই, আমার নিজেরই বাগান আছে। তাহলে লক্ষ খেজুরের বাগান থাকার দরকারটা কী? শুধু শুধু জায়গা নষ্ট।
    .
    হুজুর: জান্নাতে জায়গার অভাব নেই।
    ছাত্র: হুজুর, আপনি উত্তর এড়িয়ে গেলেন। মূল প্রশ্নটা হলো — অপ্রয়োজনীয় বিশালত্বের মানে কী? এটা কি একজন জ্ঞানী সত্তার পরিকল্পনা, নাকি এমন কারো কল্পনা যিনি শুধু "বড়" আর "বেশি" মানেই "ভালো" মনে করতেন?

    হুজুর: তুই জাহান্নামী।

    উত্তরমুছুন
  59. ওকে ফাইন, পশ্চিমবঙ্গে কি হচ্ছে না হচ্ছে ফেসবুকে কি হচ্ছে না হচ্ছে এটা ভালো করে জেনে বুঝে বাংলাদেশের মুসলমানদের কমেন্ট করতে হবে, ফাইন। তো আপনাদের উপরে কি জরুরী না যে বাংলাদেশের যে কমেন্টগুলো আপনারা ফেসবুকে পাচ্ছেন youtube এ পাচ্ছেন সেগুলোকে কোরান হাদিসের মত মনে করতেছেন কেন আপনাদের একটু জরুরি না যে কমেন্টগুলো আসলে বাংলাদেশের মুসলমানদের কিনা নাকি ভারতের হিন্দুদের বানানো‌ তাজ যাচাই করা। শুধু বাংলাদেশের মুসলমানদের উপরে ফরজ পশ্চিমবঙ্গের সব কিছু যাচাই করে কমেন্ট করতে হবে তুমি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উপরে কি জরুরী না যে এটা আসলে বাংলাদেশের মুসলমানদের কিনা কমেন্টটা।

    উত্তরমুছুন
  60. ভারতীয় মুসলমানদের মুসলমান বলা ভুল হবে,এরা হিন্দুত্ববাদীদের সাথে থাকতে থাকতে এরা মুসলিম+হিন্দু সমন্বয়ে আলাদা এক ধরনের সংকর জাতে পরিণত হয়েছে।গোলামী করাই এদের জীবনের মূল লক্ষ্য।

    উত্তরমুছুন
  61. দাদার ছিলো অনেক বাপের ছিলো অল্প আর এখন আমাদের আছে সা*উ*য়া ভরা গল্প 🗣️🧐

    উত্তরমুছুন
  62. সামান্য ক' দিনের হিসাব এখানে।
    ১. দিপু চন্দ্র দাস, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ময়মনসিংহ।
    ২. খোকন চন্দ্র দাস, ৩১ ডিসেম্বর হামলা, ৩ জানুয়ারি
    ৩. অমৃত মণ্ডল, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ পিরিজপুর
    ৪. রানা প্রতাপ বৈরাগী, ৬ জানুয়ারি ২০২৬, যশোর
    ৫. মনি চক্রবর্তী, ৫ জানুয়ারি ২০২৬, নরসিংদী
    ৬. মিঠুন সরকার, জানুয়ারি ২০২৬, নওগাঁ
    ৭. নয়ন দাস (সাধু)১৯–২২ এপ্রিল ২০২৬ কক্সবাজার
    ৮. গণেশ পাল, মার্চ ২০২৬, কক্সবাজার
    ৯. নাম: চঞ্চল ভৌমিক, লাশ উদ্ধার: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, নরসিংদী সদর
    ১০. চঞ্চল ভৌমিক, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ নরসিংদী
    ১১. বাজেন্দ্র বিশ্বাস — ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
    ১২. রানা প্রতাপ বৈরাগী — ৫ জানুয়ারি ২০২৬
    ১৩. শরৎ মনি চক্রবর্তী — ৬ জানুয়ারি ২০২৬
    ১৪. জয় মহাপাত্র — ১০ জানুয়ারি ২০২৬
    ১৪. সমীর দাস — ১১ জানুয়ারি ২০২৬
    ১৬. প্রলয় চাকী — ১১ জানুয়ারি ২০২৬
    ১৭. শান্ত চন্দ্র দাস — ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
    ১৮. যোগেশ চন্দ্র রায় — ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
    ১৯. সুবর্ণা রায় — ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
    ২০ প্রান্তোষ কর্মকার — ২ ডিসেম্বর ২০২৫
    ২১. উৎপল সরকার — ২ ডিসেম্বর ২০২৫
    ২২. সুশেন চন্দ্র সরকার — ২০২৬ (ময়মনসিংহ,
    ২৩. সমীর দাস ফেনী ঘটনা
    ২৪. লাল চাঁদ সোহাগ — ৯ জুলাই ২০২৫ (ঢাকা)
    ২৫. বুলেট বৈরাগী -২৫/৪/২৬ কুমিল্লা
    ২৬.রণজিৎ সরকার -২৬/৪/২৬ ফরিদপুর

    👁️‍🗨️ বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য করার মিশনে নেমেছে পাকিস্থানি রাজাকার। বাংলাদেশ সরকারের এগুলো বন্ধ করা উচিৎ।
    আর কতো বাংলাদেশ???? 😥

    উত্তরমুছুন
  63. হিন্দের মুসলিমদের জন্য গরু কুরবানি করাই ঈমানের দাবি

    এই উপমহাদেশে মুসলিমদের প্রধানতম শ-ত্রু হলো মুশরিক গোমূত্রপায়ীরা। আর গোমূত্রপায়ীদের বিরু-দ্ধাচরণ করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফারজ। সুতরাং যারা গরু কুরবানী করবে এই নিয়তে যে, এর দ্বারা আল্লাহর শত্রুদের অহংকার ধুলিস্যাৎ হবে, রাগে ক্ষোভে তাদের অন্তরগুলো ফেটে পড়বে। তাহলে অবশ্যই সে অনেক বড় সাওয়াবের কাজ করল।

    সুতরাং যারা কুরবানী করবেন তারা অবশ্যই অবশ্যই গরু কুরবানী করবেন। আল্লাহ আপনাদের তাওফীক দান করুন।

    - সলিহ আলগাযী হাফিযাহুল্লাহ

    উত্তরমুছুন
  64. সম্মানিত স্যার, সন্ত্রাসীরা যদি সন্ত্রাস বিরোধী কমিটির সভাপতি/সদস্য হইতে পারে, মাদক কারবারীরা যদি মাদক বিরোধী কমিটির সভাপতি/সদস্য হইতে পারে, দুর্নীতিবাজরা যদি দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ দাবি করতে পারে, রাজাকাররা যদি বাংলাদেশের এক মাত্র দেশ প্রেমিক দাবি করতে পারে, তাহলে ধর্ষণকারীরা কেন শরিয়া আইন চালুর দাবী করতে পারবে না?

    উত্তরমুছুন
  65. কবির সাহেব, আপনার কবিতাটি বড়ই মনোরম ও মোলায়েম লাগল। আপনি সত্যি একজন বড় মাপের কবি।

    উত্তরমুছুন
  66. মুসলমানদের উপর যে হারে কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি আরএসএস সন্ত্রাসীরা হত্যা ও নির্যাতন শুরু করেছে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গত কয়েকদিনে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই প্রায় ৫০০+ মুসলিমকে হত্যা করেছে কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি আরএসএস সন্ত্রাসীরা।

    মুসলমানদের বসে থাকার সুযোগ নেই। কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি আরএসএস সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে হবে। ধ্বংস করতে হবে মুসলিম বিদ্বেষী কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপি আরএসএস সন্ত্রাসীগুলোকে।

    উত্তরমুছুন
  67. গুণীর কদর যারা করে,
    গুণীর মর্ম তারা বোঝে।

    নিন্দুকেরা নিন্দা করে,
    হিংসা দ্বারা হৃদয় ভরে।

    উত্তরমুছুন
  68. বুলেট মিস হতে পারে,
    কিন্তু আরাফার দিনে করা দোয়া গুলো মিস হবে না। ইনশাআল্লাহ। 🤲

    উত্তরমুছুন

অমার্জিত মন্তব্য করে কোনো মন্তব্যকারী আইনী জটিলতায় পড়লে তার দায় সম্পাদকের না৷